বিমান নিয়ে সমাজমাধ্যমে মন্তব্য করে আইনি জটিলতায় জড়ালেন নোরা ফতেহী। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার দেওয়ানি মানহানির মামলা করেছে একটি বিমান সংস্থা। গাঁধীনগরের আদালতে দায়ের করা ওই মামলায় সংস্থাটির অভিযোগ, তাদের চার্টার্ড বিমান নিয়ে নোরার করা মন্তব্যে সংস্থার সুনাম এবং ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’ নামে ওই সংস্থার অভিযোগ, গত বছর ডিসেম্বর মাসে মুম্বই থেকে জয়পুর যাওয়ার সময় তাদের একটি বিমানে সফর করেছিলেন নোরা। সেই বিমানের ভিতরের বেশ কিছু ভিডিয়ো নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সেখানেই বিমানটিকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
সংস্থাটির দাবি, ভিডিয়োয় বিমানটিকে ‘মিনিয়েচার’, ‘টয়’ এবং ‘লেগো এয়ারপ্লেন’-এর মতো শব্দে উল্লেখ করেছিলেন নোরা। অভিনেত্রীর বিপুল সংখ্যক সমাজমাধ্যম অনুসরণকারীর কারণে সেই মন্তব্য দ্রুত অনেকের কাছে পৌঁছে যায় বলেও দাবি করেছে সংস্থা। তাদের বক্তব্য, এর জেরে সংস্থার ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়ে এবং ব্যবসায় ক্ষতি শুরু হয়।
‘ ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’-এর অভিযোগ, নোরার মন্তব্য ছিল ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং যথাযথ প্রযুক্তিগত জ্ঞান, তথ্য যাচাই বা বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই করা। সংস্থাটির দাবি, বিতর্কের পর তাদের বিমানের বুকিং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে যায় এবং বাতিলের সংখ্যাও বেড়ে যায়। এর ফলে সুনাম এবং বাণিজ্যিক কার্যকলাপে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছে তারা।
অন্য দিকে, ওই বিমান নিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি। তাদের বক্তব্য, নোরার ব্যবহৃত বিমানটি কোনও অস্বাভাবিক ছোট বিমান নয়। নির্দিষ্ট যাত্রার জন্য সেটি যথাযথ মাপের একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড’ বিমান। বিমানটি ডিজিসিএ-অনুমোদিত এবং উড়ানের উপযোগী বলেও দাবি করেছে ‘ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’।
মামলায় নোরার কাছে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে বিমান সংস্থাটি। পাশাপাশি, বিমানটি নিয়ে অভিনেত্রীর করা বিতর্কিত মন্তব্য-সহ সমাজমাধ্যমের পোস্ট এবং অনলাইনে থাকা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার জন্যও আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে তারা। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে নোরার পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।
পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’ নামে ওই সংস্থার অভিযোগ, গত বছর ডিসেম্বর মাসে মুম্বই থেকে জয়পুর যাওয়ার সময় তাদের একটি বিমানে সফর করেছিলেন নোরা। সেই বিমানের ভিতরের বেশ কিছু ভিডিয়ো নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সেখানেই বিমানটিকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
সংস্থাটির দাবি, ভিডিয়োয় বিমানটিকে ‘মিনিয়েচার’, ‘টয়’ এবং ‘লেগো এয়ারপ্লেন’-এর মতো শব্দে উল্লেখ করেছিলেন নোরা। অভিনেত্রীর বিপুল সংখ্যক সমাজমাধ্যম অনুসরণকারীর কারণে সেই মন্তব্য দ্রুত অনেকের কাছে পৌঁছে যায় বলেও দাবি করেছে সংস্থা। তাদের বক্তব্য, এর জেরে সংস্থার ভাবমূর্তিতে প্রভাব পড়ে এবং ব্যবসায় ক্ষতি শুরু হয়।
‘ ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’-এর অভিযোগ, নোরার মন্তব্য ছিল ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং যথাযথ প্রযুক্তিগত জ্ঞান, তথ্য যাচাই বা বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই করা। সংস্থাটির দাবি, বিতর্কের পর তাদের বিমানের বুকিং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে যায় এবং বাতিলের সংখ্যাও বেড়ে যায়। এর ফলে সুনাম এবং বাণিজ্যিক কার্যকলাপে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছে তারা।
অন্য দিকে, ওই বিমান নিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে সংস্থাটি। তাদের বক্তব্য, নোরার ব্যবহৃত বিমানটি কোনও অস্বাভাবিক ছোট বিমান নয়। নির্দিষ্ট যাত্রার জন্য সেটি যথাযথ মাপের একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড’ বিমান। বিমানটি ডিজিসিএ-অনুমোদিত এবং উড়ানের উপযোগী বলেও দাবি করেছে ‘ডিউন্স অ্যাভিয়েশন’।
মামলায় নোরার কাছে ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে বিমান সংস্থাটি। পাশাপাশি, বিমানটি নিয়ে অভিনেত্রীর করা বিতর্কিত মন্তব্য-সহ সমাজমাধ্যমের পোস্ট এবং অনলাইনে থাকা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার জন্যও আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে তারা। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে নোরার পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।
তামান্না হাবিব নিশু